স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ঘোষণা দিয়েছেন, সন্ত্রাস দমন এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের উদ্দেশ্যে অপারেশন ডেভিল হান্টের দ্বিতীয় পর্যায় ‘ফেইজ-টু’ অবিলম্বে শুরু করা হচ্ছে।
তিনি জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা যদি আবেদন করেন, তাদের অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হবে। আজ শনিবার আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভার পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এই তথ্য দেন। ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় তিনি গভীর উদ্বেগ ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “ওসমান হাদির ওপর আক্রমণ আসন্ন নির্বাচনে বাধা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে চালানো একটি অপপ্রয়াস। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত বা ব্যাহত করার যে কোনো চেষ্টা সরকার কঠোরভাবে দমন করবে।”হামলায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, “সরকার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। দ্রুত এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হামলায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
নির্বাচনে প্রার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন, যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন এবং অস্ত্রের প্রয়োজন মনে করেন, তাদেরকে লাইসেন্স প্রদান করা হবে। যাদের অস্ত্র সরকারের কাছে জমা রয়েছে, সেগুলোও ফেরত দেওয়া হবে। এছাড়া, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় সম্মুখ সারিতে থাকা যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। উপদেষ্টা আরও জানান, লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান চলছে এবং এটিকে আরও জোরদার করার জন্য ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু’ শুরু করা হয়েছে। এছাড়া আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
অপারেশন ডেভিল হান্ট–২ শুরু, এমপি প্রার্থীদের দেওয়া হবে অস্ত্রের লাইসেন্স
