যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে নিরাপত্তা গ্যারান্টি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পর্যবেক্ষণ পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, প্রয়োজন হলে ইউক্রেনের মাটিতে সেনা পাঠানো ও সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা হবে। ৬ জানুয়ারি ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’-এর শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের নিরাপত্তা ও যুদ্ধবিরতি বিষয়ে ৩৫টি ইউরোপীয় দেশের নেতারা আলোচনা করেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার উপস্থিত ছিলেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টভলোদিমির জেলেনস্কিও বৈঠকে অংশ নেন।ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও ইউক্রেনের নেতারা এক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বহুজাতিক ইউরোপীয় বাহিনী মোতায়েন ও যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে। প্যারিস কিয়েভে কিছু হাজার সেনা পাঠাতে পারে।জেলেনস্কি এটিকে “বড় অগ্রগতি” হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বিভিন্ন দেশের দায়িত্ব, বাহিনীর সংখ্যা ও কমান্ড ব্যবস্থা নির্ধারিত হয়েছে। তবে যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সতর্ক থাকবার আহ্বান জানিয়েছেন।ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বৈঠককে “চমৎকার অগ্রগতি” বলে উল্লেখ করেন, তবে বলেন, রাশিয়ার আক্রমণ এখনও চলছে। মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও কুশনার বলেন, নিরাপত্তা গ্যারান্টি গুরুত্বপূর্ণ, যাতে যুদ্ধ শেষ হলে তা স্থায়ী হয়। শান্তি আলোচনার মাঝেই সামরিক হামলা
শান্তি আলোচনা চলাকালীন রাশিয়া ইউক্রেনের জাপোরি-
জঝিয়া ও দোনেৎস্কে ড্রোন হামলা চালিয়ে দুইজনের প্রাণহানি ঘটিয়েছে। জবাবে ইউক্রেন রাশিয়ার কস্ত্রোমা অস্ত্রভাণ্ডার ও লিপেৎস্ক তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে। রাশিয়া এক রাতেই ৬১টি ড্রোন ছুঁড়ে, এর মধ্যে ৫৩টি ধ্বংস করা হয়েছে বলে কিয়েভ দাবি করেছে। হামলায় নিরাপত্তাবাহিনীসহ কয়েকজন আহত হন এবং খেরসনের আবাসিক এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।ইউক্রেনের পাল্টা হামলায় রাশিয়ার সামরিক সরবরাহে বড় ধাক্কা পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।