শুক্রবার মধ্যরাত থেকে ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে অন্তত পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। হামলার কারণে লাখ লাখ মানুষ সারা রাত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করতে বাধ্য হয়।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান ইসরায়েলের ওপর চাপ বৃদ্ধি করতে এই কৌশল ব্যবহার করছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ছোড়া হচ্ছে, যাতে মানুষ দীর্ঘ সময় বংকারে থাকতে হয়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নিরাপত্তা সংস্থাগুলো প্রথমেই ধারণা করেছিল, প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ইরান থেকে অন্তত ১,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
যদিও ইরানের হামলায় সরাসরি বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, তবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন বিঘ্নিত হয়েছে। একই সঙ্গে, ইসরায়েলকে লেবাননের সীমান্তে হিজবুল্লাহকেও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। ইরানের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে লেবাননের এই সশস্ত্র গোষ্ঠীও ইসরায়েলে হামলা চালাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে এই উত্তেজনার পেছনে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা রয়েছে। ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ড এবং অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করছে।