উগ্রবাদী ইসলাম কেবল নিজেদের খিলাফত বানিয়ে এক অংশে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। তারা সম্প্রসারণ চায়” বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন যে, উগ্রবাদী ইসলামের কিছু গোষ্ঠী বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব বাড়াতে চাইছে, যা আন্তর্জাতিক সমাজের জন্য বড় ধরনের হুমকি হতে পারে।ফক্স নিউজকে দেওয়া তার বক্তব্যে তিনি বলেন, এসব চরমপন্থি গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের প্রধান শত্রু হিসেবে দেখে এবং দেশটিকে ‘বিশ্বের অশুভ শক্তির উৎস’ মনে করে।রুবিওর মতে, উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর লক্ষ্য কেবল কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে খিলাফত গঠন করা নয়; তারা আরও বিস্তৃত পরিসরে নিজেদের আধিপত্য কায়েম করতে চায়। তাদের দৃষ্টিতে এটি এক ধরনের বিপ্লবী আন্দোলন, যার মাধ্যমে তারা রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বিস্তার লাভের চেষ্টা করছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, এসব গোষ্ঠী নিজেদের উদ্দেশ্য পূরণে সন্ত্রাসী হামলা, সহিংসতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডপরিচালনা করতে প্রস্তুত থাকে। বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলো—যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ—তাদের পরিকল্পনার মূল লক্ষ্যবস্তু বলে রুবিও মন্তব্য করেন।ইরানসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সহায়তা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। রুবিওর মতে, প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে বিভিন্ন সংস্কৃতি ও সমাজে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় এসব গোষ্ঠী যেকোনো পর্যায়ে যেতে পারে।পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি ঘোষণা করেন যে,
নাইজেরিয়া বা বিশ্বের অন্য কোথাও খ্রিস্টানদের ওপর সহিংসতা বা নির্যাতন পরিচালনা, অর্থায়ন বা সমর্থনকারীদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে।
