দেশে ভূমিকম্পের মাত্রা সম্প্রতি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, গত দশকে দেশে সাধারণত বছরে ৬ থেকে ৮টি ভূমিকম্প অনুভূত হত, তবে গত এক বছরে ৩২টি কম্পন দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঘন ঘন এই ভূকম্পন বড় ধরনের বিপর্যয়ের পূর্বাভাস হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ রুবায়েত কবির জানান, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সাতক্ষীরার আশাশুনি এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কম্পনের উৎস ছিল মাটির মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে, এবং রাজধানী ঢাকার থেকে এটি ১৮৮ কিলোমিটার দূরে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, মাটির নিচে ইউরেশিয়ান ও ইন্ডিয়ান প্লেটের ক্রমাগত সংঘর্ষের কারণে বিপুল পরিমাণ শক্তি জমা হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে এই অঞ্চলে বড় ধরনের কোনো ভূমিকম্প না হওয়ায় শক্তি বেশি জমে গেছে, যা ভবিষ্যতে বড় কম্পনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ছোট কম্পনগুলোও বড় ভূমিকম্পের আগাম সতর্কতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্লেটগুলোর চলমান সংঘর্ষ এবং ঘন ঘন কম্পন এই অঞ্চলে ভূমিকম্পের ঝুঁকিকে আরো বাড়াচ্ছে।