ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের কঠোর নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি বলেছে, এই হামলা একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের ওপর চরম ও গুরুতর হস্তক্ষেপের শামিল। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ–এর বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে আগ্রাসী ও নৃশংস আচরণের আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।এদিকে, ভেনেজুয়েলার জনগণ এবং দেশটির নির্বাচিত সরকারের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছে ইরান। রোববার (৪ জানুয়ারি) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে। বিবৃতিতে জানানো হয়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান গিল পিন্তো–এর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। এ সময় তেহরানের পক্ষ থেকে ভেনেজুয়েলার সরকারের প্রতি সংহতি ও সমর্থনের কথা জানানো হয়।ইরান অভিযোগ করে, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে যে সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে, তা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অভিযান একটি রাষ্ট্রের বৈধ সরকারপ্রধান ও তার পরিবারের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে,যারাষ্ট্রীয়সন্ত্রাসবাদের উদাহরণ হিসেবেই বিবেচিত হতে পারে।এর আগে শনিবারও ইরান একই ধরনের বক্তব্য দিয়ে মার্কিন অভিযানের বিরোধিতা করে। তেহরানের দাবি, এই হামলা ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং দেশটির সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় রাতভর সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে এবং সেই অভিযানের অংশ হিসেবে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–কে আটক করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব নেবে এবং প্রয়োজনে সেখানে মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হতে পারে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা নিয়ে এবার মুখ খুললো উত্তর কোরিয়া
