ভেনেজুয়েলা এলাকায় মোতায়েন থাকা যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রণতরি ও যুদ্ধবিমান বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে স্থানান্তর করা হচ্ছে। এই সামরিক পুনর্বিন্যাস এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে জানিয়েছেন—ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার সম্ভাবনা তিনি এখনো পুরোপুরি নাকচ করেননি। মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল–এর প্রতি-
বেদনে বলা হয়, আগে ক্যারিবীয় অঞ্চলে যে যুদ্ধজাহাজ ও বিমানগুলো মোতায়েন করা হয়েছিল,সেগুলোর উদ্দেশ্য ছিল ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–কে ঘিরে সম্ভাব্য একটি বিশেষ অভিযানের প্রস্তুতি।বর্তমান
পরিস্থিতিতে সেই সামরিক সরঞ্জামগুলো ইরান সংশ্লিষ্ট উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানো হচ্ছে।নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা, এই পদক্ষেপ ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক প্রস্তুতির একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ট্রাম্প তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের তেহরানে সম্ভাব্য হামলার জন্য নতুন করে ‘চূড়ান্ত পরিকল্পনা’ উপস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও এর আগে তিনি সামরিক প্রস্তুতি সাম-
য়িকভাবে স্থগিত রাখতে বলেছিলেন, এখন আবার বিভিন্ন ধরনের সামরিক বিকল্প খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।মার্কিন প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, হোয়াইট হাউজ ও মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে কয়েকটি সম্ভাব্য পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এসব বিকল্পের মধ্যে রয়েছে ইরানের সরকারকে দুর্বল করার কৌশল থেকে শুরু করে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী) গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সীমিত আকারের হামলার প্রস্তাব।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি জড়ো হওয়ার খবরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি হামলা চালায়, তবে ইরান কোনো ধরনের সংযম দেখাবে না এবং তাৎক্ষণিকভাবে শক্ত পাল্টা জবাব দেওয়া হবে।