গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ শুক্রবার সকাল থেকেই সিরাজগঞ্জ-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঢাকামুখী যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
সকাল প্রায় ১১টার দিকে যমুনা সেতু-এর পশ্চিম প্রান্তে যানজট সৃষ্টি হয়, যার ফলে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করতে থাকে। কড্ডার মোড় থেকে সেতু পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কজুড়ে গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যায়। পূর্ব প্রান্তে যান চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় এর প্রভাব পশ্চিম প্রান্তেও পড়ে এবং জট আরও দীর্ঘ হয়।
তবে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সেতুর পশ্চিম পাশে ধীরগতিতে হলেও যানবাহন চলাচল করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকায় কোথাও শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে, দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থেকে যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পাবনা থেকে টাঙ্গাইলগামী এক দম্পতি জানান, সকাল ১১টার দিকে কড্ডার মোড়ে পৌঁছানোর পর থেকেই তারা যানজটে আটকা পড়েন এবং নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েন।
একজন পোশাক কারখানার কর্মকর্তা জানান, সকাল ৯টায় যাত্রা শুরু করেও দুপুর পর্যন্ত সেতু পার হতে পারেননি। তার আশঙ্কা, স্বাভাবিক পাঁচ-ছয় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে ১০-১২ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। দীর্ঘক্ষণ যানজটে থাকার কারণে তার পরিবারের সদস্যরাও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে তিনি জানান।
বাসচালকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঈদের আগের দিনগুলোতে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও বর্তমানে ফেরার পথে যানজট বেড়েছে এবং যাত্রীদের ভোগান্তিও বৃদ্ধি পেয়েছে।
তাদের মতে, সেতুর পূর্ব প্রান্তে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে গেলে এই পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।