২০২৬ সালের মাত্র চার দিনের মধ্যে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অশান্তি, যুদ্ধ ও সংঘাতের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিখ্যাত বুলগেরিয়ার সাধিকা বাবা ভাঙ্গা আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করে-
ছিলেন যে এই বছরে বিশ্বব্যাপী অস্থিতিশীলতা এবং সশস্ত্র সংঘাত বাড়বে। চলতি বছরের প্রথম সপ্তাহেই তার পূর্বাভাসের প্রমাণ দেখা গেছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাবা ভাঙ্গার পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২৬ সালে যুদ্ধ, দাঙ্গা এবং আন্তর্জাতিক উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। উদাহরণস্বরূপ, গত ৪ জানুয়ারি দক্ষিণ আমেরিকার ভেনেজুয়েলায় একটি বড় হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা তার পূর্বাভাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দেখা হচ্ছে।বাবা ভাঙ্গা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনাকেও ইঙ্গিত করেছিলেন। তিনি পূর্ব প্রান্তে বড় ধরনের সংঘাতের কথা উল্লেখকরেছিলেন, যেখানে বিভিন্ন মহাশক্তি দেশ জড়িত হতে পারে। শুধু
ঋ সামরিক ক্ষেত্রে নয়, প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানেও তার কিছু পূর্বাভাস আলোচনায় এসেছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যাপকভাবে উন্নত হবে এবং এর প্রভাব মানুষের চাকরির বাজারে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।সিনথেটিক অর্গ্যান তৈরির প্রযুক্তি বাস্তবে ব্যবহৃত হবে।মানুষ মঙ্গল গ্রহ থেকে খনিজ ও সম্পদ আহরণের উদ্যোগ নিতে পারে।বিশ্ব রাজনীতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কেও তিনি সতর্ক করেছিলেন। তার পূর্বাভাস অনুযায়ী:রাশিয়ার একজন শক্তিশালী নেতা চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।২০২৬ সালে বন্যা, খরা, ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটতে পারে, যা পৃথিবীর ৮ থেকে ১০ শতাংশ ভূমি প্রভাবিত করবে।সবচেয়ে বিস্ময়কর ছিল তার পূর্বাভাস যে, ২০২৬ সালে মানবসভ্যতা প্রথমবারের মতো বহির্বিশ্বের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
১৯৯৬ সালে মৃত্যুবরণ করা বাবা ভাঙ্গা ছিলেন একজন বুলগেরিয়ান সাধিকা, যিনি জীবদ্দশায় অসাধারণ পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। ইউরোপীয় সংঘাত, ভূমিকম্প, নতুন শক্তি উৎসসহ তার অনেক পূর্বাভাস সত্য প্রমাণিত হয়েছে।
২০২৬ সালের শুরুতেই তার অনেক ভবিষ্যদ্বাণী সঠিক প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববাসীর মধ্যে বাবা ভাঙ্গার প্রতি আগ্রহ এবং কৌতূহল নতুন মাত্রা পেয়েছে।
২০২৬ সালের শুরুতেই সত্যি হলো বাবা ভাঙ্গারের ভয়ঙ্কর ভবিষ্যদ্বাণী
