ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠতে ১৯৪৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। এই পথে অসংখ্য মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন, যাদের প্রতি জাতি চিরঋণী। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এক সময় দেশের শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যত ছোট ক্যান্টনমেন্টে পরিণতহয়েছিল, যেখানে শিক্ষার্থীদের হাতে কলমের বদলে অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল। সেই অশুভ শক্তি বিদায় নিলেও এর ছায়া এখনও পুরোপুরি কাটেনি। এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে ছাত্রসমাজকেই। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব ছাত্রদের কাঁধেই বর্তাবে। যদি মানুষ ছাত্রশিবিরের ওপর আস্থা হারায়, তবে সমাজের সামনে আর কোনো পথ খোলা থাকবে না। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের অপমান বা লাঞ্ছনা দেখতে চায় না জামায়াত।তার বক্তব্যে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী দিনে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হবেই। বর্তমানে বাংলাদেশে ন্যায়বিচারের ঘাটতি প্রকট, আর সেই শূন্যতা পূরণ করতেই দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার করা হচ্ছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-এআয়োজিত বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর কেন্দ্রীয় সদস্যসম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, শুধু নির্দিষ্ট কোনো দল নয়—সব ধর্ম ও মতের মানুষকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। শিক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বেকার ভাতা নির্ভর সমাজ নয়, বরং দক্ষ ও যোগ্য মানবসম্পদ তৈরি করতে চায়। শিক্ষাব্যবস্থায় যুগোপযোগী ও মানসম্মত কারিকুলাম যুক্ত করা গেলে দেশ দক্ষ নাগরিক পাবে এবং জাতির ভবিষ্যৎ আরও সুদৃঢ় হবে।
‘আজকের বাংলাদেশ পেতে ৪৭ থেকে ২৪ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে’
