ইরানের খুজেস্তান প্রদেশজুড়ে অন্তত ছয়টি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলার অভিযোগ উঠেছে, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে; প্রতিবেদন অনুযায়ী শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে মাহশাহর শহরের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে আকাশপথে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয় এবং ফজর ১, ফজর ২, রেজাল, আবু আলি, বন্দর ইমাম ও আমির কবির পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা লক্ষ্যবস্তু হয়; মাহশাহর পেট্রোকেমিক্যাল অঞ্চলের জনসংযোগ বিভাগ জানায় নিরাপত্তার কারণে সব কর্মীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, এরপরও কিছু হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে, তবে জরুরি সেবাকর্মী, চিকিৎসক ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে, পাশাপাশি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে কোনো ক্ষতিকর পদার্থ পার্শ্ববর্তী শহরের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি নয়; এদিকে ইসরাইলের ওপর ইরানের পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে এবং সর্বশেষ হামলায় নেগেভের একটি শিল্প এলাকায় আগুন লাগে ও রোশ হাআইন এবং পেতাহ তিকভার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়; ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায় তারা ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর ৯৪তম ধাপে ইসরাইলের শিল্প ও সামরিক স্থাপনা এবং কমান্ডার ও সেনা ইউনিটের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, ভোরে পরিচালিত এই হামলা দক্ষিণ, মধ্য ও উত্তরাঞ্চলসহ তেল আবিবে আঘাত হানে; তাদের দাবি অনুযায়ী খোররামশাহর, খাইবার শেকান ও এমাদ ক্ষেপণাস্ত্রসহ ব্যালিস্টিক মিসাইল ও আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে এবং দিমোনা, নেগেভ, বিয়ার শেবা ও রামাত গানে ধারাবাহিক আঘাত হানা হয়েছে, এছাড়া তারা দাবি করেছে ইসরাইলের বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব হামলা প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়েছে।
