ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর ধারণা অনুযায়ী, ইরানের কাছে এখনো ১,০০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা ইসরাইলে আঘাত হানতে সক্ষম। চ্যানেল ১২ নিউজকে এমন তথ্য জানিয়েছেন ইসরাইলি বিমান বাহিনীর এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা।
ইসরাইলি বিমান বাহিনীর গোয়েন্দা ইউনিট ‘এয়ার ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ’-এ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন বিষয়ক গবেষণার নেতৃত্বদানকারী লেফটেন্যান্ট কর্নেল ‘টেট’ বলেন, “ইরানিদের কাছে এক হাজারেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা ইসরাইলে পৌঁছাতে পারে।”
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরুতে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)-এর ধারণা ছিল, ইরানের কাছে প্রায় ২,৫০০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এরপর থেকে ইরান ইসরাইলের দিকে ৫০০-র বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোর দিকেও শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
এ ছাড়া হামলার সময় আরও কয়েকশ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস হয়ে থাকতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইসরাইলের দিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের হার কমে প্রতিদিন প্রায় ১০–১৫টিতে নেমে এসেছে, যেখানে যুদ্ধের প্রথম দিনে তা ছিল প্রায় ৯০টির কাছাকাছি। সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর মূল্যায়ন ছিল, যুদ্ধ চলাকালীন ইরানের হামলা অব্যাহত থাকবে এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের হার বাড়তেও পারে।
ওই কর্মকর্তা চ্যানেল ১২ নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “সত্যি বলতে, আমি মনে করি না যে প্রতিদিনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ শূন্যে নেমে আসবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমার ধারণা, তারা (ইরান) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাবে। তবে এখন পর্যন্ত যা দেখা গেছে, তার তুলনায় এটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হবে বলে মনে হয় না।”
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল