ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যকার চলমান উত্তেজনা নিরসনে তেহরানের পক্ষ থেকে বারবার নমনীয়তা ও সদিচ্ছার ইঙ্গিত দেওয়া হলেও ওয়াশিংটনের অসংগতিপূর্ণ অবস্থানের কারণে তা বারবার ভেস্তে যাচ্ছে; বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যখনই আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে কিছুটা নরম অবস্থান নেয়, ঠিক তখনই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আরও কঠোর বার্তা দিয়ে পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ-এর ইরান প্রকল্পের পরিচালক আলি ভায়েজ বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরান থেকে আসা সাম্প্রতিক তথাকথিত ‘মিশ্র বার্তা’ আসলে কোনো কৌশলগত বিভ্রান্তি নয়, বরং ট্রাম্পের খামখেয়ালি ও অসংগতিপূর্ণ নীতির প্রতি ইরানিদের একটি সুপরিকল্পিত প্রতিক্রিয়া। তার মতে, নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ইরান যথেষ্ট সামঞ্জস্য বজায় রাখলেও ওয়াশিংটনের দিক থেকে বারবার ভিন্ন ভিন্ন সংকেত আসায় পরিস্থিতির উন্নতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এই অসংগতি ব্যাখ্যা করতে তিনি হরমুজ প্রণালি-এর উদাহরণ টানেন; তিনি বলেন, যখন ইরান ঘোষণা করেছিল যে তারা হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে নিয়েছে, তখন তারা একটি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশা করেছিল, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই মুহূর্তে কোনো নমনীয়তা না দেখিয়ে বরং মার্কিন অবরোধ বজায় রাখার ঘোষণা দেন। এর পরপরই ইরানি সামরিক বাহিনী আবার তাদের অবরোধ পুনরায় আরোপের ঘোষণা দেয়। আলি ভায়েজের মতে, ইরান যখনই নমনীয়তার ইঙ্গিত দেয়, তখনই ওয়াশিংটন থেকে কঠোর বার্তা আসে, আর এই অসংগত আচরণের ফলে ইরানও বাধ্য হয়ে তাদের কঠোর অবস্থানে ফিরে যায়। ফলে স্পষ্টভাবে বলা যায়, ওয়াশিংটন যদি তাদের নীতিতে স্থিরতা বজায় রাখতে না পারে, তবে তেহরানের কাছ থেকে স্থিতিশীল বা ইতিবাচক সাড়া পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠবে।
‘তেহরান একটু নরম হলেই গরম হয় ওয়াশিংটন’
Oplus_131072
You Might Also Like
Sign Up For Daily Newsletter
Be keep up! Get the latest breaking news delivered straight to your inbox.
[mc4wp_form]
By signing up, you agree to our Terms of Use and acknowledge the data practices in our Privacy Policy. You may unsubscribe at any time.
Create an Amazing Newspaper
Discover thousands of options, easy to customize layouts, one-click to import demo and much more.
Learn More