বগুড়ার আদমদীঘিতে নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৮টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় অন্তত ৬৬ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
নওগাঁ ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. আবু জার গাফফার জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত নীলসাগরের ৬০ জন যাত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৪০ জন প্রাথমিক চিকিৎসা পেয়েছেন এবং ২০ জন ভর্তি রয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১০ জনের হাড়ে ফ্র্যাকচার হয়েছে।
আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আরও ৬ জন যাত্রী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে আবাসিক চিকিৎসক আব্দুল হালিম জানিয়েছেন।
দুর্ঘটনা বুধবার দুপুর ২টার দিকে সান্তাহার স্টেশন থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে আদমদীঘির বাগবাড়িয়া এলাকায় ঘটে।
সান্তাহার স্টেশনের মাস্টার খাদিজা বেগম জানিয়েছেন, পার্বতীপুর থেকে উদ্ধারকারী একটি দল পৌঁছেছে। উদ্ধারকাজ শেষ হতে কত সময় লাগবে তা এখনও নিশ্চিত নয়। বগুড়ার স্টেশন মাস্টার সাজেদুর রহমান বলেন, পাকশী ও পার্বতীপুর থেকে দুটি দল এসে লাইন পরিষ্কার করতে ৮-১০ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
লাইনের এই দুর্ঘটনার কারণে রংপুর ও দিনাজপুরের ৮ জেলার সঙ্গে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এই রুটে প্রায় ৮টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে।
দুর্ঘটনার দায়ে সান্তাহার স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম রঞ্জুকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ রেলওয়ে রাজশাহীর প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ হোসাইন মাসুম জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে সিগন্যাল নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি এই দুর্ঘটনার কারণ।