যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কে রুবিও আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে ইরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ নয় বরং তা মূলত মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে অব্যাহত রয়েছে, যেখানে কিছু সীমিত সরাসরি কথোপকথনও হচ্ছে; তিনি বলেন যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিলেও তেহরান তাদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ না করা পর্যন্ত সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে এবং প্রয়োজন হলে তা আরও জোরদার করা হবে, পাশাপাশি তিনি সতর্ক করে উল্লেখ করেন যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি যেকোনো উপায়ে খোলা রাখা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের লক্ষ্য কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই অর্জন করা সম্ভব হতে পারে; একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেলান্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে দ্রুত যুদ্ধবিরতি না হলে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হতে পারে, যা বিশ্লেষকদের মতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি দ্বৈত কৌশলের ইঙ্গিত দেয়—একদিকে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়া এবং অন্যদিকে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো; রুবিও আরও বলেন ইরানে কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হলে যুক্তরাষ্ট্র তা স্বাগত জানাবে তবে এটিকে আনুষ্ঠানিক লক্ষ্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না, একই সঙ্গে তিনি ন্যাটোর কিছু মিত্র দেশের সমালোচনা করে অভিযোগ করেন যে তারা যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি, যা জোটের অভ্যন্তরে সমন্বয়ের ঘাটতি তুলে ধরে, এবং তিনি আরও জানান যে কিউবা ও ভেনেজুয়েলার সাম্প্রতিক পরিস্থিতিও ওয়াশিংটন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
